নিজকে খুঁজে ফেরার সিনেমা Njan Prakashan

মালায়লাম সিনেমাতে বাংলা গান যতটানা সুন্দর করে ব্যাবহার হয় তার সিকিভাগও বাংলা সিনেমায় হয়না। গল্পের প্রয়োজনে বাংলা, হিন্দি কিংবা স্প্যানিশকেও ধারণ করে।


পরকে সুখ প্রদান করার যে সুখ, সে সুখ পার্থিবে মিলিলেও অপার্থিব। চারপাশের মানুষগুলো যখন সুখ লাভ করার জন্য দিবা রাত্রি খেটে যাচ্ছে ঠিক তখনই আমরা কেউ কেউ শর্টকাট খুঁজে হয়রান। নিজের অর্জিত বিদ্যার জনহিতকর প্রয়োগের বদলে তার বিনিময়ে দ্রুত ধনিক শ্রেণি বনে যাওয়ার বৃথা চেষ্টায় নিমিত্ত হই। সে যত নিচেই নামতে হয়! তার মাঝে নিজের বিদ্যার বিস্তার বোঝাতে পরকে ছোট করতেও দ্বিধা-বোধ করি না।
কিন্তু সময় সবসময় সবার পক্ষে থাকে না। জীবনের কঠিন সত্য শেখাতে জীবন কঠোর থেকে কঠোরতর হয়। আমরা বাধ্য হই গতিপথ বদলাতে আর পথিমধ্যে জীবন আমাদের নিজকে চেনার সুযোগ করে দেয়। আমি কস্মিনকালেও এত লোভাতুর ছিলাম না এই ভাবটাই আমাদের জীবন বদলে দেয়। আমরা পরের মুখের হাসি দেখে হাসতে শিখে যাই আর সেই হাসি ফোঁটাতে মরিয়া হয়ে উঠি কখন যে নিজেই হেঁসে উঠি তা বুঝে ওঠা দুষ্কর।


আমার বনিতা বলতে পারেন কিছুটা বিরক্তিকরও বটে তবে এত অসাধারণ ডায়ালগ ফ্লো অনেকদিন পর একটা সিনেমা সত্যিকার অর্থে উপভোগ করলাম। যেন গল্পের বই পড়ছি, পরতে-পরতে বুদ্ধির-ঝলক।

ফাহাদ দুর্দান্ত অভিনয় করে এটা তার আরেক অসাধারণ উদাহরণ। সিনেমাটির নাম “আমি প্রকাশ” কিংবা “নিঞান প্রকাশান” নিজকে খুঁজে পাওয়ার রোলারকোস্টার রাইড। পার্শঅভিনেতা কিংবা অভিনেত্রীরা খুবই সুন্দরভাবে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব নির্বাহ করেছে।

দেখতে পারেন। ভাল লাগবে, ভাল লাগার কথা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।