A Aa – অকৃতজ্ঞের আস্ফালন

A Aa - অকৃতজ্ঞের আস্ফালন

অকৃতজ্ঞ

জীবনের বাকে নিজের আদি অন্ত্য সমস্যা এবং স্বপ্ন সত্যি করার লক্ষ্যে আমরা অন্যের সাহায্য নেই। যাদের থেকে সাহায্য নেই তারা যে আমাদের থেকে খুব একটা ভাল অবস্থানে থাকে এমন নয়। হয়তোবা বিশ্বাসের জোরে কিংবা কোন এক মহৎ-গুনে আমাদেরকে সাহায্য করে। বলতেই পারেন আছে বলেই সাহায্য করে! কিন্তু যার কাছে ভুরি-ভুরি টাকা থাকে তারা আরেকজনের বিপদে এগিয়ে আসার বদলে, নিজের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির কথা চিন্তা করে। কিন্তু এই সাহায্যের ফলশ্রুতিতে তারা কি পায়! প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সময়মতো টাকাটা পকেটে কয়জন পায় সে বিষয়ে অনেক সন্দেহ বিরাজমান, আর সময়ের আগে চিন্তা করাও বোধহয় বোকামী।

সময় মত দেনাদার পাওনাদারের দেনা পরিষদ করতে পারেনা উপরন্তু পাওনাদারকে ভৎসনা করা শুরু করে, “কি আজব লোকরে বাবা সময় না পুরতেই হাজির…” আমি টাকা ধার বা সুদে দেওয়া জমিদার ভূস্বামীদের এখানে পাওনাদার হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিনা। ওরা অন্যজগতের মানুষ, আবু ইসহাকের জোক তাদের জন্য যোগ্য পদবি।

 A Aa প্রেক্ষিত

সূচনার অবতারণা তেলেগু A Aa সিনেমা দেখে। সুলোচনা রানীর প্রকাশিত উপন্যাস মিনার উপর ভিত্তি করে এই সিনেমার চিত্রনাট্য তৈরি। যদিও একই গল্পের উপর ভিত্তি করে ১৯৭৩ সালে মিনা নামক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন অভিনেতা কৃষ্ণ এবং তার স্ত্রী নির্মলা। গল্পের মূল ভাব ঠিক রেখে, নতুন ভাবে গল্পকে তুলে ধরাটা বরাবরই আমার পছন্দের। অকৃতজ্ঞতা এবং কৃতজ্ঞতাই এই সিনেমার মূল পুঁজি।

A Aa অভিনয়


A Aaপুনশ্চ

সময় করে দেখে নিতে পারেন মনুষ্যত্ব ক্লাসের অ আ.. থুক্কু A Aa…

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।