Well Done Abba! – ১৬ কোটি জনতার ১৪ কোটি মোবাইল, আমারটা গেল কই???

Well Done Abba poster - ১৬ কোটি জনতার ১৪ কোটি মোবাইল, আমারটা গেল কই???

সূচনা

শুনলাম ১৬ কোটি জনগণকে নাকি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১৪ কোটি মোবাইল ফোন দেওয়া হয়েছে। মাশা আল্লাহ!!! খুবই ভাল খবর, কয়েকদিন ধরে আমার সামসু(samsung) ফোনের উপর খুবই বিরক্তি ধরে গেছে। সফটওয়্যার ইন্সটল করতে গেলেই দেখায় জায়গা খালি করো… জায়গা খালি করো! কি এক বিরক্তি দাদা, ২২ কিলোবাইটের সফটওয়্যার ইন্সটল করার জন্য ৩০০ মেগাবাইট খালি করতে বলে। যেন, নুনু সাইজের দেশে ভোট গণনার জন্য কোটি কোটি টাকার ইবিএম ক্রয়। আগে, বাড়াবাড়ি বোঝানোর জন্য “মশা মারতে কামান দাগা” – উপমার ব্যাবহার করতাম কিন্তু ঢাকা শহরে এসে দেখি এখানে সত্যি সত্যিই মশা মারতে কামান ব্যাবহার করা হয়। ভারি সমস্যা, উপমা কই পাই? আমি আবার এক গরুর দুধ বেশিদিন দোহাতে পারিনা, শুনলাম কারা কারা নাকি ৪৭ বছর ধরে একই গরুর দুধ দোহন করেই চলেছে! আমার মাঝে মাঝে গরুটার (গুলোর) জন্য ভারি কষ্ট হয়। এতদিনেও বুঝতে পারেনি, সে যা-ই হোক অনেক শান্তি বোধ করছি, উপমায় প্রাপ্তি যোগ হল বলে!

যা বলছিলাম, মোবাইল ফোন প্রসঙ্গে। ডিজিটাল সরকারতো আর এনালগ মোবাইল দিবেনা, সে আমি জানি। সরকারের ওপর এতটুকু ভরসা আমার আছে। সরকারী কর্মকর্তাদের মত দামী না হলেও চলবে, আর এন্ড্রয়েড হলে মন্দ হয়না। না মানে সরকারের অধীনে তৈরি এপগুলোনিয়ে পরবর্তী ব্লগটা লিখতে পারতাম।

কিন্তু একটা বিষয় বুঝলামনা, বাড়িতে ফোন করে জিজ্ঞেসও করেছি কিন্তু মোবাইল ফোন এখনো আসেনি! আম্মাকে বলে রেখেছি, ডাকপিয়ন কাকু চাইবার আগেই যেন ৫০ টাকা হাতে ধরিয়ে দেয়। ভেবে দেখলাম ১০০ খানা টাকাও হাতে ধরিয়ে দেওয়া যায়, সরকারী মোবাইল ফোন হাতে পাচ্ছি বলে কথা; স্ট্যাটাস আছে না!!!

কেউ খেয়ে দিলো নাকি? বোধহয় কোথাও গরমিল হচ্ছে, আইনের ছাত্র হলে একটা মামলা ঠেসে দিতাম। এত সাহস!!! সরকারী মালে ভাগ বসায়?

মূলা(গাজরও বলতে পারেন)

ওয়েল ডান আব্বা বলে ভারতীয় এক সিনেমা এই ব্লগের মূলা I mean মূল। গাজরও বলতে পারেন- লালে লাল, মূল মাটির নীচে। আমি মূলাতেই খুশি, না মানে ভারতীয় উপমহাদেশে সাদা চামড়ার কদর বেশি-তো তাই। ওয়েল ডান আব্বা ২০০৯ সালের ভারতীয় চলচ্চিত্র, পরিচালনা এবং লিখনিতে শ্যাম বেনেগাল এবং জনরার দিক থেকে পলিটিকাল স্যাটায়ার।


মূল চরিত্রাভিনয়ে বোমান ইরানি এবং একটি কূপ। পানি সমস্যা সমাধানে আরমান আলী(বোমান ইরানী) সরকারী অফিসে কূপ খননের জন্য আবেদন করে। সরকারী তথ্য প্রমাণ অনুযায়ী কূপ খনন হয় কিন্তু কূপ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা; কূপতো তাহলে নিশ্চিত চুরি হয়েছে। আরমান আলী পুলিশের কাছে মামলা করে, কূপ চুরি হয়েছে বলে। পুলিশ প্রথমে হাসির ছলে মামলা নিতে না চাইলেও সরকারী তথ্য-প্রমাণের খাতিরে পরে মামলা নিতে বাধ্য হয়। এবং…. বাকিটা জানতে হলে সিনেমাটি দেখতে হবে।

বিদ্র: জীবিত কিংবা মৃত কোন ব্যাক্তি স্থান কিংবা কালের সাথে সামঞ্জস্য সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং কল্পনাপ্রসূত।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।