অতৃপ্ত প্রান Kaalakaandi

Kaalakaand 2018 poster

মরে যাচ্ছি আর বেশি দিন বাকি নেই! জানি বলবেন একদিন সবাইকেই মরতে হবে, কিন্তু আমার ডাকটা বোধহয় একটু দ্রুতই পড়লো। ভাবতেই পারছিনা আমার সাথে এমন কিছু হবে জীবনে চারস গাঞ্জা মদ বা কোন নেশা জাতীয় পদার্থের কোল ঘেঁসেও যাইনি। তা-ও আমার সাথেই এমন হতে হবে। স্টমাক ক্যান্সারে ভুগছি, ডাক্তার থেকে জানলাম বেশিক্ষন হয়নি তবে জানার পূর্বেই লাস্ট স্টেজে পৌঁছে গেছি। হাতে সময় বেশি নেই ডাক্তারের মতে তিন মাস, ছ-মাস কিংবা এক বছর। অনেক স্বপ্ন ছিল লিস্ট করে রেখেছিলাম জীবনে কি কি করবো কিন্তু কি ব্যাপার দেখুন উপরওয়ালা ডাকটা খুব দ্রুতই দিয়ে দিলেন। মাঝে একজনের সাথে সম্পর্ক হয়েছিল বেশিদিন টিকেনি বা টেকাতে পারিনা আজ দু জন দু-মেরুতে। পরিবার তথা সমাজের কাছে ছিলাম সোনার ছেলে বলতে গেলে ভদ্র-নম্র-সভ্য সামাজিক জীব। কিন্তু আর বেশি দিন নয়… জীবনেতো কিছুই করলামনা! ডাক্তার বললো ওসব ছাইপাস না খেলেও ক্যান্সার হয়। এ কথাটাতো আগে বলার দরকার ছিল তাহলে খেয়েই মরতাম। আক্ষেপ আজ চরমে যা -ই হোক ঠিক করে নিয়েছি মরেইতো যাবো তার আগে টেস্ট করে দেখতে চাই। চ্যা-চ্যা লোকে কি বলবে! লোকে আর কি বলবে? লোকের কথা শুনেই বা কোন চুলটা চিড়েছি..!

যাকে দেখে খুব একটা ভরষা করা যায়না সেই আজ ভরসার পাত্র/পাত্রী হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর পাক্কা চিটার হারামী যে কিনা নিজের ভূল স্বীকার করতে যাচ্ছিলো সেইবা কি বুঝে ভদ্র হয়ে গেল বা ভদ্র হওয়ার নাটক শুরু করে দিলো।

বলছিলাম ভারতীয় চলচিত্র kaalakaandi সম্পর্কে পরিচালনা এবং লেখনিতে Akshat Verma  অভিনয়ে Saif Ali Khan ,Isha Talwar ,Deepak Dobriyal, Sobhita Dhulipala এবং অন্যান্যরা। অভিনয়ের দিক থেকে এই ছবিতে সাইফ অসাধারন করেছে সাইফ সাধারনত এমন অভিনয়ই বেশি করে কিছুটা কমেডি কিছুটা সিরিয়াস। ইশা তালওয়ারের স্ক্রিন প্রেজেন্স ছিল খুবই কম কিন্তু এই অল্প সময়ে নেশা ধরিয়ে দিয়েছে! মালায়লাম বেঙ্গালুর ডেইজে প্রথম দেখেছিলাম এর পর থেকে যেখানেই দেখছি অসাধারন এক কথায় বলতে গেলে বোল্ড এন্ড ইনোসেন্ট। ডিপক দোবরেয়াল বোধহয় সবচেয়ে ভাল অভিনয় করেছে, আসলে চরিত্রটাই ছিল অসাধারন। আর ভাল চরিত্রে শতে আশি দিতে পারলেই সোনায় সোহাগা। বাকীরা আছে মোটামুটি …

গল্পের প্রথমটাতো শুনেই নিলেন যদিও দশমিক দুই শতাংশ কিন্তু ইহাই মূল গল্প এবং ভাব, বাকীটাতো এর রিপ্রেজেন্টেশন মাত্র। শুরুটা অসাধারন হলেও শেষটা আরও ভালো হতে পারতো…

ইন্ট্রোতে লেখা দ্বিতীয় প্যারা ছিল এই গল্পের সাথে জুড়ে দেওয়া বিক্ষিপ্ত কিন্তু অবিচ্চেদ্য গল্পের সারাংশ বিশেষ। সময় করে দেখে ফেলতে পারেন…।

 

Comments

    1. Post
      Author

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।