ইশতেহার ২০১৮ : প্রধান দুই জোটের তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত প্রতিশ্রুতি

আলাদা করে বলা তথ্যঅধিকার সম্পর্কিত বিষয়গুলো এখানে আনা হয়নি। মূল ইশতেহার প্রথম আলোতে পাওয়া যাবে।

মোবাইল

লীগ বলছে ফাইভ-জি চালু করবে। কিন্তু থ্রি-জি-র 21.6 Mbit/s কিংবা ফোর-জি-র 1 Gbit/s কি কার্যকর করতে পেরেছে? নাহ!!! তাহলে জির মাথায় ৩/৪/৫ বসায়া লাভ কি???

সুতরাং আমাদের প্রয়োজন যত-জি আছে তার গতি সারাদেশব্যাপি কার্যকর করা এবং মোবাইল ইন্টারনেটের খরছ কমানো, মোবাইল কলরেট কমানো। গুরুত্বপূর্ন জায়গায় ফ্রি ওয়াইফাই হলে খারাপ হয়না 😀 । ঐক্যফ্রন্ট ইশতেহারে ঠিক এমনটাই বলছে…

আওয়ামীলীগ বলছে খরচ যুক্তিসংগত পর্যায়ে নামিয়ে আনা হবে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের আমাদের অভিজ্ঞতা ভাল নাহ! সবাইকে একি লেবেলে আনতে মোবাইল কলরেট বাড়ানো ওনাদের কাছে যুক্তিসংগত মনে হয়েছে 😛 ।

সার্বিক দিক বিবেচনায় ঐক্যফ্রন্ট উইনার। “মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিশ্চিত করতে মোবাইল অপারেটরদের বাধ্য করতে হবে।” ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারের এই লাইন খুব মনে ধরছে <3 যদিও, অতিতেও কেউ পারেনি ভবিষ্যৎতো পড়েই আছে। দেখা যাক…

স্যাটেলাইট

স্যাটেলাইট উভয়েই পাঠাবে কিন্তু কেউই স্যাটেলাইট তৈরীতে আমাদের দেশি কর্মী গড়ে তোলার কথা বলেনি। অত্যন্ত দু:খজনক… লীগ স্যাটেলাইট পাঠানোর পর সবাই এই প্রশ্ন তুলেছিল তবুও লীগ এই বিষয়টি উল্লেখ করেনি এটা অদূরদর্শীতাবই আরকি??? কিন্তু ঐক্যফ্রন্ট কিভাবে এই বিষয়টি এড়িয়ে গেল। আমরা স্যাটেলাইট অন্যদেরকে দিয়ে না বানিয়ে নিয়ে যদি সাথে সাথে বানানো শিখে নিতাম তাহলে একটা কেন কয়েকটা স্যাটেলাইট পাঠানো যাবে…

কৃত্তিম বুদ্বিমত্তা …

কৃত্তিম বুদ্বিমত্তা ইত্যাদি… ইত্যাদি প্রযুক্তির বিকাশ সয়ংক্রিয়ভাবেই হয়-হবে কিন্তু আমাদের দরকার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং প্রশিক্ষিত কর্মী। ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে ঠিক এরই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে সুতরাং এক্ষেত্রেও ঐক্যফ্রন্ট উইনার।

বাকী বিষয়গুলো যেমন: ডিজিটাল শিক্ষা, ডিজিটাল লেনদেন, ডিজিটাল সামরিক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনি, ই-গভর্নেন্স, ই-পাসপোর্ট এবং ই-ভিসা বিশ্বপ্রযুুক্তির সাথে তাল মেলাতে গিয়ে এমনিতেই হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।