গাহি সাম্যের গান-মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহিয়ান্‌

দেশ বা দেশের মানুষ খারাপ হয়না! খারাপ হয় তাদের শাসকরা আর শাসকদের সিদ্ধান্ত।
ঘৃনা ছড়িয়ে কেউ কেউ তাদের স্বার্থহাসিলের চেষ্টা করে এদের অধিকাংশই হয় জনগনকে কাল চশমা পরিয়ে রাখা নেতা/ধর্মব্যাবসায়ী। হিটলার ছিল পৃথিবির সবচেয়ে বড় দেশপ্রেমিক হ্যা দেশপ্রেমিক কিন্তু বাকী পৃথিবির প্রতি তার ছিল ততটাই ঘৃনা।

আমাদের কাঠ মোল্লা এবং কথিত চেতনা ব্যাবসায়ীদের থেকে সাবধান থাকুন এরা দেশ বা ধর্মকে ইশারা করে কঠাক্ষ্য করে। যে অন্য দেশ জাতি বা ধর্মকে সম্মান করতে জানে নাহ! সে কিভাবে নিজের দেশ জাতি বা ধর্মকে সম্মান করবে!
কারো টার্গেট ভারত, কারো পাকিস্তান কারো বা আমেরিকা; কারো হিন্দু, কারো মুসলিম কেউ কেউ বোদ্ধদেরও ছাড়ে নাহ!

সবগুলো জাতি এবং ধর্মের আবির্ভাব সাম্য এবং ভালবাসার মাধ্যমে আর দিন দিন আমাদের কলুষ মন তাদের সামনা সামনি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে!
নবী মুহম্মদের (স:) এর পৃথিবীতে আগমন দুনিয়ার মানুষগুলোকে একই ছাদের নিচে ডাকার জন্য সাম্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কিন্তু তার মৃত্যুর পর আমাদের খলিফারাও(শুধুমাত্র আবু বকর (র:) ছাড়া) আমাদের আক্রোশ থেকে বাঁচে নি।

মানুষ মুহম্মদ (স:) এর জন্ম মৃত্যু এবং মাঝের জীবনটুকু ছিল আমাদের জন্য নেয়ামত। আমি বারবার মানুষ শব্দটি ব্যাবহার করছি কারন অনেকে তাকে এলিয়েন কিংবা ফেরেশতা হিসেবে পরিচয় দিতে দ্বিধাবোধ করেনা। আমার মাঝে মাঝে তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে মন চায় তারা আদো ইশ্বরে বিশ্বাস করে কিনা? না হয় তারা ইশ্বরের বিচক্ষনতা সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করে কি করে।

كُلُّ نَفْسٍ ذَآئِقَةُ الْمَوْتِ”

সুরা আলে ইমরাণ , আয়াত ১৮৫ এর অংশবিশেষ

প্রত্যেক প্রানীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করবে” যেখানে আল্লাহ বলছেন। সেখানে মৃত নবীকে জিবন্ত করার কেন এত খায়েশ!

অনেকে আবার আল্লাহ এবং ইশ্বর এই দুই শব্দের মাঝে বিভেদ দাঁড় করায়। ইশ্বর শব্দে তাদের অনেক খুঁজলি, আমি এক ধর্মীয় বক্তার বক্তব্য শুনছিলাম “ইশ্বর শব্দের স্ত্রী লিংগ আছে তাই ব্যাবহার করা যাবে না!” আল্লাহ শব্দের সাথে ই প্রত্যয় যোগ করলে এশব্দও তেমনি শোনাত! আমি যদি ইশ্বরকে নিরাকার মনে করি তাহলে স্ত্রী বা পুরুষ প্রত্যয়ে কি আসে যায়।

ইশ্বর বিষয়ে এদেরকে প্রশ্ন করা যায়না এদের মতে

It’s kind of taboooo!

যেমনটা আমাদের নেতারা চান না! নেতা শব্দের স্ত্রী লিঙ জায়েজ আছে… যদিও ইসলাম ধর্ম বিশ্বাস এবং বাঙালী জাতীয়তাবাদের মূলভিত্তি এই জবাবদিহিতা। আমাদেরকে ইশ্বরের কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে তাই যত ইমান আমল সেই জবাবদিহিতাকে ঘিরে…. বাংলাদেশ সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য ছিল জবাবদিহি সরকার। সেই আমরাই আজ কেউ প্রশ্ন করতে চাইলে তার টুটি চেপে ধরি!

নবী মুহম্মদ (স:) এর জীবনকে প্রশ্ন করার মাধ্যমে আমরা আমাদের সাম্য এবং শান্তির পথ খুঁজে পাব সেই প্রত্যাশায় আমি পাপি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।